পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কবিতাঃ সিলেবাস ও খেলা। poem sylebus o khela দ্বীপ সরকার সাহিত্য আর্কাইভ

ছবি
  সিলেবাস সিলেবাস একটা ফাঁদ-- এর বাইরে এসে দেখো কতোটা আলো এথারে সিলেবাস একটা বৃত্ত- এর ভেতর যা কিছু তার সবটা,অন্তসারে এর বাইরে যত শোরগোল শোনো পাহাড়,মাটি,নদী,জল দাড়কাক বলে চিনি যারে এর বাইরে বিবিধ বিস্তার নাম লিখেছি পাহাড়ে তুমি আমি দরজার বাইরে তুমি কি চাও?   বেরিকেড? নাকি হাঁটার খোলা মাঠ? গন্ডি রেখায়,সেঁটে আছো তুমি ঝুলে রেখেছো পা অর্ধেকটা বেঁচে আছো,অর্ধেক মৃতকাঠ মরে আছো তুমি কিভাবে বুঝবো তুমি এখনো হাঁটো হাঁটতে চাইলে,সিলেবাস ভাঙো সিলেবাসজীবন বড্ড খাটো #   খেলা অথচ,সতীন একটা জটিল পরীক্ষা তুমি এই পরীক্ষায় অংশ নিতে চাও না পরীক্ষা ছাড়াই পাশ করতে চাও জগৎজুড়ে সকলেই, এই পরীক্ষা ছাড়া সংসার গোছাচ্ছে এটা তো পারাই যায় কোন প্রতিযোগীতাহীন টিকিয়ে থাকা- রং বেরঙের পার্থক্য নেই গুণী, বে-গুণীর পার্থক্য নেই টিকে থাকা মাঠে প্রতিযোগী না থাকলে বিচার থাকে না প্রতিটি সতীন একেকটি পাহাড় পাহাড় ডিঙিয়ে নিজেকে প্রমাণ করো--তুমিই শ্রেষ্ট    

কবিতাঃ সিলেবাস ও খেলা। poem sylebus o khela দ্বীপ সরকার সাহিত্য আর্কাইভ

ছবি
  সিলেবাস সিলেবাস একটা ফাঁদ-- এর বাইরে এসে দেখো কতোটা আলো এথারে সিলেবাস একটা বৃত্ত- এর ভেতর যা কিছু তার সবটা,অন্তসারে এর বাইরে যত শোরগোল শোনো পাহাড়,মাটি,নদী,জল দাড়কাক বলে চিনি যারে এর বাইরে বিবিধ বিস্তার নাম লিখেছি পাহাড়ে তুমি আমি দরজার বাইরে তুমি কি চাও?   বেরিকেড? নাকি হাঁটার খোলা মাঠ? গন্ডি রেখায়,সেঁটে আছো তুমি ঝুলে রেখেছো পা অর্ধেকটা বেঁচে আছো,অর্ধেক মৃতকাঠ মরে আছো তুমি কিভাবে বুঝবো তুমি এখনো হাঁটো হাঁটতে চাইলে,সিলেবাস ভাঙো সিলেবাসজীবন বড্ড খাটো #   খেলা অথচ,সতীন একটা জটিল পরীক্ষা তুমি এই পরীক্ষায় অংশ নিতে চাও না পরীক্ষা ছাড়াই পাশ করতে চাও জগৎজুড়ে সকলেই, এই পরীক্ষা ছাড়া সংসার গোছাচ্ছে এটা তো পারাই যায় কোন প্রতিযোগীতাহীন টিকিয়ে থাকা- রং বেরঙের পার্থক্য নেই গুণী, বে-গুণীর পার্থক্য নেই টিকে থাকা মাঠে প্রতিযোগী না থাকলে বিচার থাকে না প্রতিটি সতীন একেকটি পাহাড় পাহাড় ডিঙিয়ে নিজেকে প্রমাণ করো--তুমিই শ্রেষ্ট    

মেঘ বিক্রেতা। দ্বীপ সরকার megh bikreta by dweep sarkar

ছবি
          মেঘ বিক্রেতা। দ্বীপ সরকার আকাশে ভিড় করছে মেঘ ক্রেতার লোক চারদিকে আজ কালো আর কালো হোক মহাশূন্যের তাঁবুতে মেঘের দোকান বসিয়ে হাওয়ার বিজ্ঞাপনে লিখছে, ‘এখানে মেঘ আছে, মেঘ’—— একদল বিকিকিনি পকেটে ঝড় তুলে নিয়ে ছড়িয়ে দিচ্ছে উদ্বেগ—— ক্রেতাবেশি এক ষোড়শি ঘুটঘুটে অন্ধকারে যেই নামিয়েছে তার পা—— দুষ্ট মেঘ বিক্রেতা ইশারার শিসে জমিয়ে তুলছে ঘা—— জমে ক্ষির ষোড়শীর সুনসান মন, চুলে গজিয়েছে বরফের সাদা সাদা ডানা—— মেঘ বিক্রেতা হাঁক ছাড়ছে, আমার এখানে মেঘের দাম, এক আনা—— ষোড়শির ঠোঁটে জড়ো হচ্ছে লাল টুকটুকে রঙধনু মেঘ বিক্রেতা, আমাদের কবি অনু মেঘ বিক্রেতা (নিশ্চুপ, হতবিহবল) হাত জড়ো করে বলে, রঙধনু দাও, আমি দেবো মেঘের পান্ডুলিপি—— ষোড়শী, চোখের তরুপে কাছে টানে তারে, বেণির ভেতর গিজগিজ করা অন্ধকার উঁচিয়ে ধরে বলে, একটু মেঘ দিবি?—— মেঘ বিক্রেতা বলে, আমার তাঁবুতে আসো, বসো—— ষোড়শি, সাদা মেঘের দস্তানায় বসে বলে, তুমিও একটু খসো——  

স'মিল ও শ্যামলী হাওয়ার মৈথুন। poem by dweep sarkar

ছবি
  শ্যামলী হাওয়ার মৈথুন আস্তে আস্তে ওভারব্রীজ পার হচ্ছে শ্যামলী, দীর্ঘ সর্পিনীর মতো লেজ থেকে ছিঁড়ে আসে মায়াবী চুলের ঘ্রাণ তখন আমি,অদূরে,দোতলার রেলিং এ স্মৃতি পাহারা দেই মায়াবি চুল তার,বিস্ময়কর ধনুকের মতোন আমার চোখ মুখ ফালাফালা করে আমি আহত পাখির মতোন নিম্নগামী হতে হতে ———লুটিয়ে পড়ি শ্যামলী হাওয়ার মৈথুন যুগ যুগ ধরে নেচে যায় আর আমি স্মৃতি পাহারা দেই রেলিং ধরে স’মিল স’মিলের মতো ফাঁড়িয়ে যাচ্ছো আমার পুষ্পিত,বকুল হৃদয় তুমি তো খুব পারো বটে আমি জানি,তুমি চোখের শহরে গোপনে গড়েছো স’মিলের মিউজিয়াম এই মিউজিয়ামে—— মজিয়ে তুলছো শানের আওয়াজ— করাতে পিন্দেছো রক্তের টি শার্ট তুমি খুব পারো বটে তাতে,পৃথিবী থেকে হয়ত একটা ‘আমি’ কাঠের গুঁড়ো হয়ে যাবো তারপর.সেটা চুলোর জ্বালানি তারপর ছাই শুনেছি এই ছাই দিয়েও অনেক কাম হয়! তোমার চোখের শহরে ইদানিং অনেকে পা দেয় অনেকে কাঠ হচ্ছে,ছাই হচ্ছে তারপর যখন পৃথিবীর সকল ছাই একত্রিত হবো তোমার করাত চোখে ছুঁড়ে মারবো শত কোটি ছাইয়ের অন্ধকার